Wednesday, November 3, 2021

4>গুরু মহারাজ স্বামী গম্ভীরানন্দ মহারাজ,

  


4>গুরু মহারাজ স্বামী গম্ভীরানন্দ মহারাজ,

Guru maharaj 

Swami Gambhirananda Moharaj (1899–1988),

  জন্ম: 11 ফেব্রুয়ারি 1899 - মৃত্যু: 27 ডিসেম্বর 1988) রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের একাদশ অধ্যক্ষ।

(( গুরু মহারাজ :---BELURMATH:--

Swami Gambhirananda 

Was Presidence 1985–1988


TIRODHAN:--27/12/1988

At 7:20pm Belur math

Last Darhana on dt 28/Dec1988


আমাদের দীক্ষা:-- year1984

At Cossipur Uddanbati 

On di 10th October 1984

Our Disha No;--

Cossipur::-GG 99981000

Belurmoth:--093892 ))




স্বামী গম্ভীরানন্দ মহারাজের জন্ম বর্তমানের বাংলাদেশের শ্রীহট্টের সাধুহাটিতে। 

সন্ন্যাস জীবনের পূর্ব নাম 

যতীন্দ্রনাথ দত্ত।


Died

27 December 1988 (aged 89)

Ramakrishna Mission Sevapratisthan Hospital ,Calcutta, West Bengal



A graduate of Scottish Church College in Kolkata,

কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়ার সময় তাঁর সমসাময়িক ছিলেন সজনীকান্ত দাস ও গোপাল হালদার। 1923 খ্রিস্টাব্দে তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ সংঘে যোগ দেন। তাঁর শিক্ষা, ব্রহ্মচর্য ও সন্ন্যাস সবই মহারাজ স্বামী শিবানন্দের কাছে। 1929-31 খ্রিস্টাব্দে তাঁকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে "উদ্বোধন" এ পাঠানো হয়। 1935 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি প্রধানত দেওঘর বিদ্যাপীঠে ছিলেন।  1953 খ্রিস্টাব্দ হতে  1963 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ছিলেন অদ্বৈত আশ্রমের অধ্যক্ষ। ইংরাজী মাসিক পত্রিকা 'প্রবুদ্ধ ভারত' এর সম্পাদক হিসাবেও কাজ করেছেন। পরে  1966 খ্রিস্টাব্দে তিনি মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক,  1979 খ্রিস্টাব্দে সহকারী অধ্যক্ষ ও এপ্রিল 1985 খ্রিস্টাব্দে অধ্যক্ষপদে বৃত হন। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থ গুলি হল-


'স্তব কুসুমাঞ্জলি'

'উপনিষদ গ্রন্থাবলী (৩ ভাগ)

'সিদ্ধান্তলেশ সংগ্রহ'

'শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তিমালিকা'

'কঃ পন্থা'

'এইট উপনিষদস্ : উইথ শঙ্করস্ কমেন্টরি'

'আপস্টলস্ অফ শ্রীরামকৃষ্ণ '

'হোলি মাদার শ্রীসারদা দেবী'

'হিস্ট্রি অফ দি রামকৃষ্ণ মঠ অ্যান্ড মিশন' ইত্যাদি ।

 1988 খ্রিস্টাব্দে 27 শে ডিসেম্বর অধ্যক্ষপদে থাকাকালে প্রয়াত হন।

এইদিন আমি গিয়েছিলাম বেলুড় মাঠে

গুরু মহারাজকে দেখতে।

তারপরে 28 শে ডিসেম্বর সবিতাকে নিয়ে গেছিলাম ওনার শেষ কৃত দর্শন করতে

বেলুড় মাঠে।

========================


গুরু মহারাজ শ্রী স্বামী গম্ভীরানন্দ মহারাজ।::----

       

আজ ১১ ফেব্রুয়ারি।  রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের একাদশ অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী গম্ভীরানন্দ মহারাজের আজ শুভ জন্মদিন। 

স্বামী গম্ভীরানন্দের পূর্বাশ্রমের নাম যতীন্দ্রনাথ দত্ত।  জন্ম১৮৯৯ সালে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় সাধুহাটি গ্রামে। সাধুহাটি গ্রামে তাঁর পড়াশোনার সূচনা হয়। ওখানকার মৌলভীবাজার হাইস্কুলে তিনি ভর্তি হন। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। এরপর কিছুকাল শিলং সরকারি হাইস্কুলে তিনি পড়াশোনা করেন। ১৯১৭ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তিনি পেয়েছিলেন স্কলারশিপ। উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য এরপরে তিনি কলকাতায় আসেন। ভর্তি হন স্কটিশ চার্চ কলেজে। থাকতেন কলেজের পাশে অগিলভি হোস্টেলে। কলেজে ফুটবল, ভলিবল ও রোয়িংএ তিনি দক্ষতার পরিচয় রাখেন। ১৯২২ স্নাতক পর্যায়ে উত্তীর্ণ হওয়ার পর বার্মার রেঙ্গুনে সামরিক বিভাগে একাউন্ট অফিসার রূপে চাকরিতে যোগদান করেন।

 ১৯২৩  এর মে মাসে ২৪ বছর বয়সে রামকৃষ্ণ সঙ্ঘে যোগদান করেন। স্বামী নির্বেদানন্দ পূজনীয় মহাপুরুষ মহারাজের অনুমোদনক্রমে তাঁকে দেওঘরে নিয়ে যান। দুবারে তিনি  বিদ্যাপীঠে ছিলেন প্রায় ১১ বছর।১৯২৩-১৯২৯ ও ১৯৩১-৩৫ পর্যন্ত প্রথমে কর্মী, পরে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ ছিলেন স্বামী গম্ভীরানন্দ। দেওঘরে থাকতে থাকতেই তাঁর ব্রহ্মচর্য মন্ত্রদীক্ষা ও সন্ন্যাস সবই লাভ করেন মহাপুরুষ মহারাজের কাছ থেকে। ১৯২৩ ডিসেম্বর মাসে শ্রীশ্রীমায়ের শুভ জন্মতিথি দিন ব্রহ্মচর্য লাভ করেন। তাঁর নাম হয় ব্রহ্মচারী সৌম্যচৈতন্য। 

১৯২৮সালের কাশী অদ্বৈত আশ্রম এ স্বামীজীর জন্ম তিথির দিন  রামকৃষ্ণ সংঘের দ্বিতীয় অধ্যক্ষ স্বামী শিবানন্দজী তাঁকে সন্ন্যাস প্রদান করেন। নাম হয় শ্রীমৎ স্বামী গম্ভীরানন্দ।

১৯৩৬-৪১ ও ১৯৪৫-৪৭  রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ছিলেন স্বামী গম্ভীরানন্দ।

  মায়াবতীতে তিনি '৪২-৪৪ সাল পর্যন্ত প্রবুদ্ধ ভারত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।১৯৪৭ থেকে ৫৩ পর্যন্ত তিনি ছিলেন মঠ মিশনে  সহকারি সম্পাদক। তারপর ৫৩-৬৩ তিনি ছিলেন অদ্বৈত আশ্রম এর প্রেসিডেন্ট।

১৯৬৩ সালে তিনি আবার সহকারী সম্পাদক, ১৯৬৬ সালে তিনি নির্বাচিত হন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক।

১৯৭৯ সালে তিনি নির্বাচিত হন রামকৃষ্ণ সংঘের ভাইস প্রেসিডেন্ট রূপে। ভাইস প্রেসিডেন্ট অবস্থায় তিনি অধিকাংশ সময় রাঁচীতে অবস্থান করতেন।

১৯৮৫ থেকে চার বছর তিনি ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ।

গম্ভীরানন্দে প্রথম বই 'স্তবকুসুমাঞ্জলি'। 

এরপর তিনি এক এক করে লেখেন উপনিষদ গ্রন্থাবলী(৩ খন্ড), শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তমালিকা

( ২ খন্ড) 

শ্রীমা সারদা দেবী।

 সিদ্ধান্ত লেশসংগ্রহ, যুগনায়ক বিবেকানন্দ,

ও কঃ পন্থা। 

ছাড়াও আছে তাঁর ইংরেজিতে লেখা বহু বই। গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার কর্তৃক প্রকাশিত কালচারাল হেরিটেজ এর তৃতীয় খন্ড এবং স্বামীজীর ইংরেজি রচনাবলীর আটটি খন্ড সম্পাদনা করেন স্বামী গম্ভীরানন্দ। তাঁর  সর্বশেষ অনূদিত ইংরেজি গ্রন্থ গীতার মধুসূদন সরস্বতীর টিকা।

রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের কয়েকটি নতুন শাখা কেন্দ্র সংযোজিত হয় গম্ভীরানন্দজির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে- অরুণাচলের আলং, তিরাপ, ইটানগর,আসামের গৌহাটি, হায়দ্রাবাদ ও মধ্যপ্রদেশের রায়পুরে। অসুস্থ বৃদ্ধ সাধুদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেলুড়মঠে গড়ে তোলেন আরোগ্য ভবন। 

মঠে যোগদানকারী নতুন ব্রহ্মচারীদের জন্য তিনি গড়ে তোলেন ব্রহ্মচারী শিক্ষণ কেন্দ্র (PPTC)।

 সংঘের অধ্যক্ষ রূপে গম্ভীরানন্দজী প্রথম মন্ত্র দীক্ষা দেন মঠের পুরাতন ঠাকুর ঘরে। সেদিন ছিল ২৯শে মে ১৯৮৫ দশহারার দিন।

রামকৃষ্ণ মিশন সেবাপ্রতিষ্ঠানে ১৯৮৮ এর ২৭ শে ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭-২৭ মিনিটে তিনি শ্রীরামকৃষ্ণলোকে যাত্রা করেন।


ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে আজ তাঁর ১২৭তম শুভ জন্মদিন। 

রামকৃষ্ণ সংঘের একাদশ অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী গম্ভীরানন্দজীর  শ্রীচরণে জানাই আমার ভক্তিপূর্ণ শতকোটি সাষ্টাঙ্গ প্রণাম।


 জয় শ্রীগুরু মহারাজজী কি জয়।

জয় মহামাইকি জয়।




No comments:

Post a Comment